বন্দর সংবাদদাতা:
নারাযণগঞ্জ জেলার সুযোগ্য পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জায়েদুল আলম পিপিএম (বার) এর সাথে স্বাক্ষাত করেছে বন্দরে চাঞ্চলকর ডাবল হত্যা মামলার বাদী সাংবাদিক কাজিম আহাম্মেদ ও নিহত কলেজ ছাত্র মিহাদের পিতা নাজিম উদ্দিন খান। রোববার (২৩ আগষ্ট) বিকেল ৩টায় নারায়ণগঞ্জ পুলিশ সুপার কার্যালয়ে এ স্বাক্ষাতে মিলিত হন তারা। স্বাক্ষাত কালে জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জায়েদুল আলম নিহত দুই শিক্ষার্থী অভিভাবকদের উদ্দেশ্যে বলেন, অন্যায় করে কেউ পার পাব না। অপরাধীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। আপনারা ভেঙ্গে পরবেন না। বাকি আসামীদের গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের অভিযান অব্যহত আছে। মামলাটি নিবিড় ভাবে তদন্ত করা হচ্ছে। অপরাধী যেই হোক তাকে ছাড় দেওয়া হবে না। পুলিশ সুপারে সাথে স্বাক্ষাত শেষে মামলার বাদী সাংবাদিক কাজিম আহাম্মেদ গনমাধ্যমকে জানায়, জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে আমার স্কুল পড়ুয়া ছেলে জিসানসহ তার বন্ধু মিহাদকে পরিকল্পিত ভাবে হত্যা করেছে খুনি আলভী, আহাম্মদ, মোক্তার নাহিদ, বড় শামীম, ছোট শামীম ও রনীগংরা। জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে কোরবানী ঈদের ১ সাপ্তহ পূর্বে ধৃত খুৃনি আহাম্মদ আলী ও মোক্তারগং আমাকে ও আমার ছোট ভাইকে হত্যার জন্য নবীগঞ্জ বাগবাড়ীতে আটক করে বেদম মারপিট করে সাদা স্ট্যাম্পের মধ্যে স্বাক্ষর নেয়। উল্লেখিত খুনিরা আমাকে ও আমার পরিবারকে প্রকাশ্যে হত্যার হুমকি দেয়। আমি আমার ছেলে ও তার বন্ধু হত্যার বিচার চাই। মামলাটির সুষ্ঠ তদন্ত স্বার্থে আমার ও আমার পরিবারের উপর হামলার ঘটনার কিছু নথিপত্র এসপি মহাদয়ের অবগত জন্য প্রেরণ করি। উল্লেখ্য, গত ১০ আগষ্ট সোমবার বিকেলে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে সাংবাদিকপুত্র জিসান ও তার বন্ধু মিহাদকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে পরিকল্পিত ভাবে পিটিয়ে হত্যার পর লাশ গুম করার জন্য শীতলক্ষা নদীতে ফেলে দেয় ঢাকা ডিএমপি বাড্ডা এলাকার গোলাম মাবুদ মিয়ার ছেলে মামলার প্রধান আসামী আলভীসহ বন্দর ৩৫নং উইসন রোড এলাকার আলফাজ উদ্দিন মিয়ার ছেলে মোক্তার হোসেন একই এলাকার মৃত সাবেদ আলী মিয়ার ছেলে আহাম্মদ আলী ও তার ছেলে কাশেম একই এলাকার মহর আলী মিয়ার ছেলে আনোয়ার হোসেন একই এলাকার নলু মিয়ার ছেলে শিপলু, নাহিদ, বড় শামীম, ছোট শামীম ও রনীগং। এ ব্যাপারে খুনি আলভীসহ ১৩ জনের নাম উল্লেখ্য করে বন্দর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। লাশ উদ্ধারে ওই রাতে উত্তেজিত জনতা ৪ জন খুনিকে ঘটনাস্থল থেকে আটক করে এবং পুলিশ হত্যাকান্ডের ওই রাতে নবীগঞ্জ বাগবাড়ী এলাকায় অভিযান চালিয়ে আরো এজাহারভূক্ত ২ আসামীকে গ্রেপ্তার করে ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন জানিয়ে আদালতে প্রেরণ করে। ধৃত ৬ আসামীর মধ্যে খুনি আলভী ২ শিক্ষার্থী হত্যাকান্ডের ঘটনায় আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্ধী প্রদান করে।
গোপনীয়তা নীতি | এই ওয়েবসাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।